এসএসসি পরীক্ষায় নকল রোধে কঠোর নির্দেশনা, বাধ্যতামূলক গোপনীয় প্রতিবেদন
পরীক্ষাকে নকলমুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন। নকল কিংবা যেকোনো ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে নকল বা অনিয়ম ধরা পড়লে শুধু ব্যবস্থা নিলেই হবে না—ঘটনার বিস্তারিত বিবরণসহ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে। বিশেষ করে, নকল ধরার সময় কোনো শিক্ষার্থী যদি অবৈধ আচরণ করে, তারও সুস্পষ্ট বর্ণনা প্রতিবেদন আকারে তুলে ধরতে হবে।
নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নকল সংক্রান্ত কোনো বিষয় বিবেচনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রতিবেদনই হবে মূল ভিত্তি। অর্থাৎ, যথাযথ রিপোর্ট ছাড়া কোনো অভিযোগ বা ঘটনা গ্রহণযোগ্য হবে না।
এ বিষয়ে ইতোমধ্যে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে নকল শনাক্তের সময় কেন্দ্র সচিব ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্ধারিত নিয়মে গোপনীয় প্রতিবেদন প্রস্তুত ও প্রেরণ করতে হবে।
বোর্ডের পক্ষ থেকে এসব নির্দেশনা দেশের সকল কেন্দ্র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই কঠোর পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে এসএসসি পরীক্ষা আরও সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্তভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

